সদ্য প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক কিছু উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে মানুষের মনে স্থান করে নিয়েছেন, যার কারণে সমাজে তিনি রোল মডেল হিসাবে পরিণত হয়েছেন। তাঁকে স্মরণীয় করে রাখতে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনির্ভাসিটি ‘আনিসুল হক স্টাডি সেন্টার’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া এই সেন্টার ‘ড্যাফোডিল চেঞ্জ মেকার অ্যাওয়ার্ড’ প্রবর্তন করবে।

আজ ৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার এ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (স্টুডেন্ট এফেয়ার্স) অধ্যাপক সৈয়দ মিজানুর রহমান বলেন, আনিসুল হক স্মরণে স্টাডি সেন্টার ভবনটি হবে বহুমাত্রিক কর্মক্ষেত্র। এখানে তাঁর নামে থাকবে একটি ফটো গ্যালারি ও বইয়ের লাইব্রেরি। লাইব্রেরিতে থাকবে আনিসুল হককে নিয়ে যাবতীয় লেখার সংগ্রহ। ‘আনিসুল হক স্টাডি সেন্টার’ ভবনটিতে অত্যাধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত একটি সেমিনার হলও থাকবে।

তিনি জানান, সমাজে টেকসই পরিবর্তন ও উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন সাধন করেছেন এমন তরুণদের ‘ড্যাফোডিল চেঞ্জ মেকার অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করবে ‘আনিসুল হক স্টাডি সেন্টার’। একটি জুরি বোর্ডের মাধ্যমে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হবে। প্রতি পুরস্কারের জন্য ১ লাখ টাকা দেওয়া হবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপার্চায্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহাবুবুল ইসলাম এবং ড্যাফোডিল পরিবারের পক্ষে সামিয়া খান। সংবাদ সম্মেলন সঞ্চালন করেন মো. এজাজ-উর -রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয় অনুপ্রেরণাদায়ী রোল মডেল হিসাবে আনিসুল হককে আর্ট অফ লিভিং বইয়ের অর্ন্তভুক্ত করা হবে। এ ছাড়া আর্ট অফ লিভিং কোর্সে ‘স্টাইল অফ লিভিং অফ আনিসুল হক’ নামে অধ্যায় সংযুক্ত করা হবে।

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে ২০১৮ সালের ২৫ থেকে ২৯ জানুয়ারি ‘এ প্যাট্রিয়ট চেঞ্জ মেকার’ শিরোনামে একটি ভিডিওগ্রাফি ও ফটোগ্রাফির আয়োজন করা হবে।