ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের রূহের মাগফিরাত কামনায় গত ১২ ডিসেম্বর দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় গুলশানের নগরভবনে। মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন।
ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আনিসুল হক অত্যন্ত বড় মাপের, বড় মনের একজন ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি উত্তর সিটিকে জ্যাম ও দখলমুক্ত করার জন্য যে পরিশ্রম করেছেন তা অন্য কারো পক্ষে সম্ভব নয়। অসম্ভব সাহসিকতার মধ্য দিয়ে হাজার হাজার মানুষের মধ্যে একা দাঁড়িয়ে থেকে তেজগাঁওয়ের ট্রাক স্ট্যান্ডের অবৈধ উচ্ছেদের কাজ পরিচালনা করেছেন। গাবতলীতে যাতায়াত করার মতো ব্যবস্থা ছিলো না, সেখানেও অনেক উন্নয়ন করেছেন। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ মেয়রদের কাছে তাঁর কর্মকাণ্ড দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, আনিসুল হক যেখানে বসতেন সেখানে আলো ছড়াতেন। কোন কাজ সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়ে কিভাবে করা যায় তা করতেন আনিসুল হক। অসম্ভব কাজকে খুব সাবলীলভাবে সম্ভব করেছেন। তার উদ্যোগগুলোর পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা দেয়ার আশ্বাস দেন মন্ত্রী।
আনিসুল হকের পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছেলে নাভিদুল উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, তার বাবা নগরবাসীর জন্য যেসব কাজ করেছেন তার অংশীদার সবাই। কেউ না কেউ তার বাবাকে কোনো-না-কোনোভাবে সহযোগিতা করেছেন। যে কারণে তিনি কাজগুলো করতে পেরেছেন। ডিএনসিসির সাথে আনিসুল হকের পরিবারের যোগাযোগ সারা জীবন থাকবে বলে উল্লেখ করেন নাভিদুল হক।
প্যানেল মেয়র ওসমান গণি বলেন, আনিসুল হক ছিলেন কর্মঠ, সাহসী, সৎ এবং বিভিন্ন গুণে গুনান্বিত একজন ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষ। তার মতো মানুষ খুঁজে পাওয়া কষ্টকর।
মিলাদ মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেসবাহুল ইসলাম, ওয়ার্ড কাউন্সিলর জাকির হোসেন বাবুল, প্যানেল মেয়রের সদস্য জামাল মোস্তফা প্রমুখ।

