ঢাকাকে আধুনিক ও তিলোত্তমা নগরীতে পরিণত করতে কাজ করছে সরকার বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।

বুধবার (২৫ মে) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর গুলশান ইয়ুথ ক্লাব মাঠে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সিসিটিভি ক্যামেরা কার্যক্রম ও ডিজিটাল ডিএনসিসি অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

স্পিকার বলেন, ঢাকা সিটি করপোরেশন কর্তৃক গৃহীত সব কার্যক্রমের মধ্যে সিসিটিভি কার্যক্রম একটি উল্লেখযোগ্য ও চমকপ্রদ কার্যক্রম। একে উন্নত বিশ্বের উন্নয়নকাজের সঙ্গে তুলনা করা যায়।

তিনি বলেন, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন সর্বাধুনিক কন্ট্রোলরুম থেকে সিসিটিভির মাধ্যমে যে কার্যক্রম মনিটর করা হচ্ছে তা শুধু জনগণের নিরাপত্তাই বিধান করছে না বরং এর মাধ্যমে সিটি করপোরেশনের কোথায় কি কাজ হচ্ছে, কোথায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে, কোথায় অপরাধ সৃষ্টি হচ্ছে তা প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে। এর মাধ্যমে জনসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে।

ঢাকাকে ভাগ করার পর দুই সিটি করপোরেশন যে কাজ করছে তা ইতোমধ্যেই বেশ প্রশংসা অর্জন করেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঢাকার দুই সিটি মেয়রের প্রশংসা করে তিনি বলেন, এ কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি অভিনব পার্টনারশিপ কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করা সম্ভব হয়েছে। এর মাধ্যমে তারা সরকারি চাকরিজীবী, সিভিল সোসাইটি, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সম্মিলিত প্রয়াসে সার্বিক পরিকল্পনা প্রণয়নের মাধ্যমে একটি পরিচ্ছন্ন, মনোরম, তিলোত্তমা ও সবুজ ঢাকা উপহার দেবেন বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।

জনগণের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিভিন্ন পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যেভাবে প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ও সঠিক দিক নির্দেশনার মাধ্যমে দেশ এগিয়ে চলেছে তাতে অচিরেই বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরিত হবে। এতে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হক বলেন, আধুনিক নগরী গড়তে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ডিএনসিসি এলাকার নিরাপত্তায় ৬০০ ক্যামেরা বসিয়েছি। আমাদের কাজের মূল উৎসাহ যোগাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।

মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর একদিনও বসে থাকিনি মন্তব্য করে তিনি বলেন, প্রতি মুহূর্তে কাজ করে যাচ্ছি। মেয়র শুধু সড়কের বাতি আর ময়লার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত। তবু সব ধরনের কাজ করে যাচ্ছি।

আগামী ১ জুলাই থেকে ডিজিটাল অ্যাপ কাজ করবে। নগরবাসী তাদের চোখের সামনে থাকা নানা সমস্যার চিত্র ডিএনসিসির বরাবরে পাঠাতে পারবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

আনিসুল হকের সভাপতিত্বে এতে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন, সংসদ সদস্য একে এম রহমতুল্লাহ, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব আবদুল মালেক, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া প্রমুখ।