জীবনটাই একটা দৌড়। প্রতিনিয়তই আমরা দৌড়াচ্ছি। এই দৌড় বেঁচে থাকার, এ দৌড় সচেতনতার ও সফলতার। এমনিভাবেই জীবনকে সংজ্ঞায়িত করলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক।
এসময় আনিসুল বলেন, কেউ অফিস যাওয়ার তাড়ায় রিকশায় উঠতে দৌড় দিচ্ছেন, কেউ পড়াশোনা করতে দৌড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ছুটছেন।
গত দুই দিন যেমন আমাকে আগুন নেভাতে দৌড়াতে হয়েছে। তিনি বলেন, একটি শিশু যখন জন্ম নেয়, তখন থেকেই তার দৌড় শুরু হয়। শিশুটি যখন একটু বড় হয় তখন তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে লেখাপড়ার জন্য দৌড়াতে হয়। এভাবে প্রজন্মকে বড় করে তোলার দৌড়েই মানুষের জীবন নিহিত হয়।
মানবতার কল্যাণে তহবিল সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এ মিনি ম্যারাথনের আয়োজন করে ব্রাক ব্যাংক।
ব্রাক ব্যাংকের এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, তবে মানুষের কল্যাণের জন্য মিনি ম্যারাথনের দৌড় একটি ব্যাতিক্রমী উদ্যোগ। গত সাত বছরে এ আয়োজনের মধ্য দিয়েই প্রায় এক কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে ব্রাক ব্যাংক।
এর আগে, সকাল সাতটায় আকাশে বেলুন উড়িয়ে ম্যারাথনের উদ্বোধন করেন আনিসুল হক। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএফইউজে’র সভাপতি সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল, মডেল শারমিন লাকীসহ ব্রাক ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এরপর ম্যারাথন দৌড় শুরু হয়। গায়ে সরিষা রঙয়ের ফুলরঙা টি-শার্ট পরিহিতরা দৌড়ে অংশ নিয়ে মানিক মিয়া এভিনিউ সেন্টার পয়েন্ট থেকে শুরু করে খামারবাড়ি হয়ে আগারগাঁও রোকেয়া স্মরণী দিয়ে আইডিবি ভবনের আগের মোড়ে ইউটার্ন নিয়ে আবার মানিক মিয়া এভিনিউতে এসে থামেন।
ম্যারাথন শেষে তহবিল থেকে অনুদান হিসেবে সেন্টার ফর রিহ্যাবিলিটেশন অব দ্য প্যারালাইজডকে (সিআরপি) ১০ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন ব্রাক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম আর এফ হোসেন।
এসময় তিনি বলেন, মানুষ, পৃথিবী ও মুনাফা- এ তিনটি দর্শনের আলোকে সামাজিক দায়বদ্ধতা ব্যাংকের ডিএনএতে গ্রথিত রয়েছে। সামাজিক কাজে কর্মকর্তাদের অংশ নেওয়া আমাদের অনুপ্রাণিত করে।
এরপর মিনি মারাথনে অংশ নেওয়াদের প্রথম ২০ জন পুরুষ ও প্রথম ২০ জন নারীকে পুরস্কৃত ও ক্রেস্ট দেওয়া হয়।

