আওয়ামী লীগ সমর্থিত ঢাকা মহানগর উত্তরের মেয়র প্রার্থী আনিসুল হক তার জীবন থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতা ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নে কাজে লাগানোর প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। শনিবার সকাল সাড়ে এগারোটায় নগরীর খিলক্ষেতের নিকুঞ্জে অবস্থিত লোটাস কামাল টাওয়ারে তার নির্বাচনী অফিসে নিজের নির্বাচনী ইশতেহারে এ প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে পরিচ্ছন্ন, সবুজ, আলোকিত ও মানবিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আনিসুল হক বলেন, একজন মেয়র তার ব্যক্তিত্ব, নেতৃত্ব, পরিকল্পনা ও লক্ষ্য দিয়ে নগরের অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারেন।

তিনি বলেন ‘আমার লক্ষ্য নির্দিষ্ট, পরিকল্পনা স্বচ্ছ, ভবিষ্যত উজ্জ্বল। জানি কিভাবে সকল প্রতিকূলতাকে পরাস্ত করতে হয় এবং সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হয়। জীবন থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে আমি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।

আনিসুল হক বলেন, ঢাকার যে সমস্যা তা চিহ্নিত করে আমরা বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলবো। নগর বিনির্মাণে আমাদের দর্শন হচ্ছে গরিব, ধনী সকলের জন্য মানবিক এক ঢাকা। যেখানে নাগরিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে সবকিছুর ওপরে। মানুষের অধিকার থাকবে সুরক্ষিত।

‘নগর ভবন দলীয় কার্যালয় হবে না’ অঙ্গীকার করে আনিসুল হক বলেন, সকল মানুষের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে এটি পরিচালিত হবে। তিনি ৫ বছরের মধ্যে ঢাকা উত্তর নির্দিষ্ট একটি বৈশিষ্ট্য নিয়ে নাগরিকদের সামনে দৃশ্যমান হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন।

এর আগে শনিবার বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনী ইশতেহার পড়তে শুরু করেন টেবিল ঘড়ি প্রতীকে মেয়র পদপ্রার্থী আনিসুল হক। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী ফারুক খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ব্যবসায়ী নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, সংরক্ষিত আসনের এমপি তারানা হালিম প্রমুখ।

View Source PDF