সিটি নির্বাচনের বাকি আর মাত্র পাঁচ দিন। আর প্রার্থীরা প্রচারণার সুযোগ পাচ্ছেন চার দিন। শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী আনিসুল হক। গতকাল বুধবার প্রচারণার ১৬তম দিনে তিনি প্রচার কার্যক্রম শুরু করেন মিরপুরের পল্লবী থানার মুসলিম বাজার এলাকা থেকে।

সকাল সাড়ে ১০টায় জনসংযোগের সময় মুসলিম বাজার খেলার মাঠের সামনে থমকে দাঁড়ান আনিসুল হক। মাঠে ক্রিকেট খেলছিল অর্ধশতাধিক স্কুলশিশু। হঠাৎ দলবল নিয়ে খেলার মাঠে প্রবেশ করেন আনিসুল হক। শিশুরাও খেলা বন্ধ করে অবাক তাকিয়ে থাকে। এক শিশু চিৎকার করে বলে ওঠে- ‘ওই ঘড়ি মার্কাওয়ালা আইছে, ঘড়ি মার্কাওয়ালা। ‘ ক্ষণিকের মধ্যেই সব শিশু আনিসুল হকের কাছে ছুটে আসে এবং টেবিল ঘড়ি প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দিতে শুরু করে। আনিসুল হক একপর্যায়ে শিশুদের সঙ্গে ক্রিকেটও খেলেন।

স্থানীয় করিমউদ্দিন মোল্লার ছেলে নাসিরউদ্দিন সোহান বলে, ‘উনারে প্রথম দেইখ্যা একটু ভয় পাইছিলাম। উনি এত লোক নিয়া মাঠের ভিতরে আসছে কেন? পরে দেখে চিনতে পারছিলাম। উনি লোকটা খুব ভালা। ‘ স্থানীয় বাসিন্দা সালাউদ্দিন আহামেদ বলেন, ‘আনিসুল হক যোগ্য লোক। উনাকে ভোট দিলেই হয়তো সাধারণ নাগরিকদের জন্য কিছু একটা করতে পারবেন। ‘

মুসলিম বাজার থেকে বেরিয়ে আনিসুল হক মিরপুর-১২ নম্বর সাত্তার মোল্লার বস্তি, ঝিলপাড় মোল্লাহর বস্তি হয়ে ভোলার বস্তি ঘুরে দেখেন। বস্তিবাসীদের কাছে ভোট চান। এ সময় অনেকেই জানতে চায়, মেয়র নির্বাচিত হলে বস্তিবাসীর উন্নয়নে কী করবেন? উত্তরে তিনি বস্তিবাসীর জীবনমান উন্নয়নে তাঁর পরিকল্পনা তুলে ধরেন। বিশেষ করে বস্তির শিশু ও নারীদের কল্যাণে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জোর দিয়ে বলেন। এ সময় অনেক বৃদ্ধ ও বয়স্ক নারী আনিসুল হকের মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করেন।

সকাল ১০টায় মুসলিম বাজার আওয়ামী লীগ অফিসের সামনে আসার পর আনিসুল হককে অভ্যর্থনা জানায় তাঁর সমর্থকরা। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে যোগ দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দীন মোল্লাহ্, ২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। তবে নারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

View Source PDF