জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হলে ২০১৪ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে শুধু জলাবদ্ধতার কারণে ঢাকা শহরের ১১ হাজার কোটি টাকা ক্ষতি হবে। এমনকি পরিবর্তিত জলবায়ুর সঙ্গে মাত্রারিক্ত বৃষ্টিপাত যুক্ত হলে এই ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকায়ও পৌঁছতে পারে। গতকাল বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই উঠে এসেছে।  বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর আগারগাঁয়ে অবস্থিত বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসে ‘জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলায় ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকার সক্ষমতা’ শীর্ষক এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের  মেয়র আনিসুল হক, বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশের ভারপ্রাপ্ত প্রধান ক্রিস্ট্রিন কেইমস, পরিবেশ বিষয়ক প্রধান অর্থনীতিবিদ ডক্টর সুস্মিতা দাশগুপ্তসহ আরও অনেকে। প্রতিবেদনে বলা হয়, বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে ঢাকা অঞ্চলে নিয়মিতই জীবন ও জীবিকানির্বাহ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বৃহত্তর ঢাকার এই ধকল সামলাতে এখনই একটি জলবায়ু পরিবর্তনবান্ধব ‘স্মার্ট পলিসি’ প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, মেয়রের ক্ষমতা শুধু ঝাড়– দেওয়া আর গাছ লাগানো। এর চেয়ে বেশি ক্ষমতা তার নেই। গতকাল সকালে বিশ্ব ব্যাংক অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। আনিসুল হক বলেন, সমন্বয়হীনতার কারণে অনেক উন্নয়ন কাজ করা যাচ্ছে না। খাল উদ্ধার করতে গেলে অনেক প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হচ্ছে। খালগুলো দখল করে রাখা হয়েছে। দখলদার এই প্রভাবশালী মহলের কাছ থেকে সেগুলো উদ্ধার করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে ঢাকা বিলবোর্ড মুক্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

View Source PDF