রাজধানীর বনানীর বাসভবনে নেওয়া হয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের মরদেহ।  এর আগে আজ শনিবার (২ ডিসেম্বর) বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ বহনকারী বিমানটি অবতরণ করে।

বিমানের মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজ বলেন, ‘লন্ডন থেকে সিলেট হয়ে মেয়রের মরদেহ বহনকারী বিজি ২০২ ফ্লাইটটি বেলা ১২টা ৪৫ মিনিটে অবতরণ করেছে।’

বিমানবন্দরে মরদেহটি গ্রহণ করেন প্রয়াত আনিসুল হকের ছোটভাই সেনাবাহিনী প্রধান আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননসহ মন্ত্রি পরিষদের অপর সদস্যবৃন্দ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্যানেল প্যানেল মেয়র ওসমান গণিসহ দুই সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর ও কর্মকর্তারা।

বিমানবন্দর থেকে বাসার পথে মেয়রের শববাহী গাড়ি

বিমানবন্দর থেকে বাসার পথে মেয়রের শববাহী গাড়ি

এরপর জাতীয় পতাকায় আচ্ছাদিত কফিনটি অ্যাম্বুলেন্সে করে তার বনানীর বাসভবনে নিয়ে আসা হয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই মেয়রের মরদেহ দেখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার যাওয়ার কথা রয়েছে সেখানে। আজ বিকাল ৩টার দিকে সর্ব সাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য মরদেহ আর্মি স্টেডিয়ামে রাখা হবে। বাদ আসর সেখানে জানাজার পর রাজধানীর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

শেষবার শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ভিড়

শেষবার শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ভিড়

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে লন্ডনের ওয়েলিংটন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আনিসুল হকের মৃত্যু হয়। গত ১৩ আগস্ট তাকে লন্ডনের ন্যাশনাল নিউরো সায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আশির দশকের বাংলাদেশ টেলিভিশনের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয় হন আনিসুল হক। পরবর্তীতে তৈরি পোশাক খাতের সফল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন তিনি। এরপর বিজিএমইএ, এফবিসিসিআই ও সার্ক চেম্বারের মতো ব্যবসায় সংগঠনগুলোর সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন। ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়ে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এ দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন তিনি।

View Source PDF