নির্মাণাধীন এনবিএল টাওয়ার ধসের ঘটনায় ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রচুর পরিমাণে বালু ফেলা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। এজন্য আগ্রহীদের বালু সরবরাহের আহ্বান জানানো হয়েছে। এদিকে দুর্ঘটনাস্থলের ঝুঁকি মোকাবেলায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হককে প্রধান করে একটি সমন্বয় কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটতে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), দুই সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), পুলিশ, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড এবং সংশ্লিষ্ট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি রাখা হয়েছে।

বুধবার (২৭ মে) সকালে কারওয়ান বাজার এলাকায় সুন্দরবন হোটেল সংলগ্ন এনবিএল টাওয়ারের নির্মাণাধীন বেজমেন্ট ধসে পড়ে। সুন্দরবন হোটেল সংলগ্ন সোনারগাঁও সড়কের একাংশ ধসে পড়ে।

বেলা সাড়ে ১২টার দিকে ঘটনাস্থলের পাশে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে মোনেম টাওয়ারে তাৎক্ষণিক এক সভায় বসেন উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক।

সভা শেষে আনিসুল হক বাংলানিউজকে বলেন, আমাদের প্রথম কাজ ধসে পড়া স্থানটিকে ঝুঁকিমুক্ত করা। এজন্য বালু ফেলা হচ্ছে। এজন্য প্রচুর বালু প্রয়োজন।

কেউ বালু দিতে চাইলে রাজউকের অথরাইজড অফিসার শফিউল হান্নানের সাথে (০১৭৩০০৫৫৫২৯) যোগাযোগ করতে পারেন।

ঘটনাস্থলে বুয়েটের শিক্ষক আহমেদ আনছারী বলেন, এই মুহূর্তে মোটাদানার বালুর সাথে পানি মিশিয়ে কমপ্যাক্ট করে ফেলতে হবে। বৃষ্টি হলে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হবে। এজন্য যতো দ্রুত সম্ভব বালু ফেলতে হবে।

এদিকে ঘটনাস্থলে অল্প পরিমাণ বালু বস্তায় ভরে ফেলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে গ্যাস সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের আশে পাশে পুলিশ, র‌্যাব নিরাপত্তায় নিয়োজিত রয়েছে।

রাজউক, সিটি করপোরেশন, ওয়াসা, ডেসকো, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন লিমিটেডসহ বিভিন্ন সংস্থা তদারকি করছে।

এর আগে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন, সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপস, আসলামুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান হেরিম আর্কিটেক অ্যান্ড প্ল্যানার্স ও ডোঙ্গা এবং স্থানীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তিনতলার বেজমেন্টসহ ১২তলা বিশিষ্ট ভবনটি নির্মাণ কাজ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করছে।