News2026-02-03T04:32:50+00:00

আনিসুল হকের পাঁচরঙা স্বপ্ন ও বাসযাত্রীর এক দিন

একটি দুর্ঘটনা। গড়ে ওঠে আন্দোলন। প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, পরামর্শ আর প্রতিশ্রুতি। তারপর ঢাকাবাসী আবার ফিরে চলে নিত্যদিনের নয়টা-পাঁচটার পাঁচালিতে। বাসস্টপেজগুলোয় দৌড়ে বাসে ওঠানামা করে যাত্রী, যত্রতত্র রাস্তা পার হয় পথচারী, পুলিশ সার্জেন্ট রাস্তায় দাঁড়িয়ে করতে থাকেন জরিমানা, ভাড়া নিয়ে চলে যাত্রী-কন্ডাক্টরের খিস্তি, অফিস টাইমে বাসে উঠতে চলতে থাকে যাত্রীদের অনুনয়,

আসুন ঢাকাকে পরিস্কার ও সুবজ করি: আনিসুল হক

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, আসুন আমরা ঢাকাকে পরিষ্কার করি। ঢাকাকে সবুজ করি। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ঢাকাকে আমরা ভবিষ্যৎ বংশধরদের জন্য পরিষ্কার (ক্লিন) করব। শনিবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত ‘ছাদে বাগান শীর্ষক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

পোস্টারে ঢেকেছে আনিসুল হক সড়কের দেয়ালচিত্র

শেওলা ধরা মলিন দেয়ালে তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল আবহমান বাংলার রূপ। সঙ্গে ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, নগরজীবন, পরিবেশ ও উন্নয়নভাবনা, প্রাত্যহিক নাগরিক জীবনের বর্ণিল সব অনুষঙ্গ এবং ভবিষ্যতের ঢাকার চিত্র। তবে এখন দেয়ালে বর্ণিল সেই চিত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না। প্রায় আট হাজার বর্গফুট দেয়াল ছেয়ে গেছে নির্বাচনী পোস্টারে।

‘মনের মাধুরী দিয়ে নগর ভবন সাজিয়েছিলেন আনিসুল হক’

গুলশান-২-এর ৪৬ নম্বর রোডের নগর ভবন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান কার্যালয়। প্রথম দেখায় মনে হবে, এটা বোধ হয় কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের। কারণ, এটি নান্দনিক নকশায় তৈরি করা হয়েছে। তার চেয়ে আরও পরিপাটিভাবে সাজানো সদস্য প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের দপ্তর।

অসময়ের যাত্রী আনিসুল হক!

তখন আমি অনেক ছোট। আজিমপুরে থাকি। এক-ই দেয়ালে দুই বিল্ডিংয়ে চাচা ও আমাদের বাস। ভালো কোনো টিভি প্রোগ্রাম হলে দুই পরিবার একসঙ্গে দেখি। হয় কাজিনরা আসে, নইলে আমরা যাই। দুটো প্রোগ্রাম খুব পছন্দ আমাদের। এক, আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ‘চতুরঙ্গ’, দুই আনিসুল হকের ‘অন্তরালে’।

মেয়র বলেছিলেন ‘নভেম্বরে সব বদলে যাবে’

‘শোনো, নভেম্বর মাসের শেষের দিকে ঢাকার চেহারা কেমন বদলে দিই দেখো। ইউরোপের রাস্তায় যেমন বাতি দেখা যায়, তেমন রাস্তার বাতি কিনব। যা করব, যতটুকু করব, ততটুকুই সেরা কিছু করতে চাই।’ এ বছরের জুন মাসে মেয়র আনিসুল হক তাঁর বনানীর বাসায় বসে বলছিলেন কথাগুলো। সেই নভেম্বর এল, ঢাকাও যেন সত্যি বদলে গেল! শোকের ছায়ায় ঢেকে

“আনিসুল হক: তোমারে দেব না ভুলিতে”

মানুষের নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের প্রভাব তাঁর সব কাজের ওপর পড়ে। যেমন কেউ যদি নিখুঁত কাজ করতে ভালোবাসেন, দেখা যাবে তাঁর সব কাজই পরিপাটি হয়। করিৎকর্মা মানুষ স্বল্প সময়ে অনেক কাজ করে থাকেন। সাহসী মানুষ, সৃজনশীল মানুষ সাহসের সঙ্গে সৃজনশীল কাজ সম্পাদন করে থাকেন। চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রভাব তাঁর জীবনের সর্বত্র ছাপ ফেলে।

বিদেশিদের রাস্তা পরিস্কার অভিযানের প্রশংসায় মেয়র

ঢাকা উত্তরের মেয়র আনিসুল হক জানিয়েছেন, কিছু বিদেশি রাস্তায় যে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে নেমেছেন সেটি নিয়ে তাঁর মধ্যে কোন ধরণের অস্বস্তি নেই। বিদেশিদের এই উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বিবিসি বাংলাকে বলেন, মেয়র হিসেবে এই উদ্যোগের ব্যাপারে কোন নেতিবাচক মন্তব্য তিনি করতে চান না। যিনি কাজটি করছেন, তিনি ভালোর জন্যই কাজটি করছেন।

Published in:  The BBC on August 25th, 2015
Go to Top