উত্তরসূরির কাজটা কঠিন করে দিয়ে গেলেন আনিসুল হক
বিংশ শতাব্দীতে নাকি শোকের আয়ু একবছর। একবিংশ শতাব্দীতে সেই আয়ু নিশ্চয়ই আরো কমে গেছে। আমরা আসলেই খুব নিষ্ঠুর। ৩০ নভেম্বর লন্ডন থেকে আনিসুল হকের মৃত্যুর খবর আসার সঙ্গে সঙ্গে ফিসফাস করে আরেকটি প্রশ্ন বাতাসে ঘুরছে, এরপরে কে? ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে পুনঃনির্বাচন কবে হবে, কে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন, কে বিএনপির মনোনয়ন পাবেন, কে জনগণের রায় পাবেন?
ঘুড়ি ওড়ালেন আনিসুল হক
বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঘুড়ি ওড়ালেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর তিনশ’ ফুট রাস্তা সংলগ্ন নিলা বাজারে নিজে ঘুড়ি উড়িয়ে ‘ঘুড়ি উৎসব’ -এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ঘুড়ি উৎসবকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই নানা আয়োজনে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা।
এলেন দেখলেন জয় করলেন
ঢাকা সিটি কর্পোরেশন দুই ভাগ হওয়ার পর থেকেই মেয়র পদে মনোনয়নপ্রত্যাশীরা পোস্টারে পোস্টারে ছেঁয়ে দেয় রাজধানীর অলিগলি। তার এমন পোস্টার চোখে দেখেনি রাজধানীবাসী। সরব কোনো আয়োজনও ছিল না। খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই নাকি ফোন করে নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা জানিয়েছিলেন।
ডেঙ্গুর প্রকোপ : যেভাবে কাজ করতে চেয়েছিলেন আনিসুল হক
আধুনিক ঢাকার রূপকার এবং সত্যিকারের নগরদরদি মানুষ ছিলেন প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক। তিনি মানুষের কথা বলতেন, সমস্যার সমাধানে সচেষ্ট হতেন। ছিলেন উন্নয়নে বিশ্বাসী। নগরীর প্রতিটি কোণে ঘুরে ঘুরে নানা সমস্যা ও দুর্দশা চিহ্নিত করে সমাধানে ব্রতী হতেন।
আমার কোনো দুঃখ নেই : ছেলের শেষ প্রশ্নে প্রয়াত আনিসুল হক
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হকের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তার স্মরণে পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) বাদ আসর গুলশান কেন্দ্রীয় মসজিদে (আজাদ মসজিদ) এ দোয়া মাহফিল হয়।
নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে, রয়েছ নয়নে নয়নে….
তেজগাঁও ট্রাকস্ট্যান্ড সংলগ্ন সড়কে শনিবার (১ ডিসেম্বর) বসেছে একটি নামফলক। নামফলক অনুযায়ী সড়কের নামকরণ করা হয়েছে ‘মেয়র আনিসুল হক সড়ক’। প্রয়াত এই মেয়রের স্মরণে নামফলকের শুরুতেই লেখা আছে-‘নয়ন তোমারে পায় না দেখিতে, রয়েছ নয়নে নয়নে.. হৃদয় তোমারে পায় না জানিতে, হৃদয়ে রয়েছ গোপনে...।’
আনিসুল হকের জন্য এক মায়ের ভালোবাসা
সাক্ষাতে দেখা হয়নি কখনও। কথাও হয়নি। তবুও এত ভালোবাসা! এত আবেগ! টেলিভিশনের পর্দা আর পত্রিকার পাতা থেকে হৃদয়ের পাতায় ঠাঁই দিয়েছেন সদ্য প্রয়াত মেয়র আনিসুল হককে চট্টগ্রামের এক মা। আনিসুল হকের মৃত্যুর পর বেদনা জানাতে চট্টগ্রাম থেকে ছেলেকে ঢাকায় চিঠি পাঠিয়েন সেই মা।
‘নেতৃত্বের গুণে অমর আনিসুল হক’
আদর্শ নেতা একটি সমাজকে পরিবর্তন করতে পারেন। যেমনটা করছেন প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক। যিনি তার নেতৃত্বে পরিবর্তন করেছেন ব্যবসায়ীক সংগঠন। যখন যেটা করতে চেয়েছেন যেকোনো মূল্যে সেটা তিনি করে দেখিয়েছেন। যার দৃষ্টান্ত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন।
এককালে বিটিভির জনপ্রিয় উপস্থাপকের নাম আনিসুল হক
প্রায় বাইশ বছর আগের কথা। ১৯৯৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর। ঈদ উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশনে ‘জলসা’ নামে একটি বিশেষ সঙ্গীতানুষ্ঠান চলছে। ওই সময় বিটিভির ডাকসাইটে প্রযোজক নওয়াজেশ আলী খানের প্রযোজনায় একজন তরুণ উপস্থাপকের উপস্থাপনা ও গ্রন্থনায় অনুষ্ঠানটি শুরু হলো।
স্বপ্নবাজ মেয়র আনিসুল সবক্ষেত্রেই সফল
স্বপ্নবাজ এক মানুষ ছিলেন আনিসুল হক। তিনি নিজে সফলতার স্বপ্ন দেখতেন। অন্যকে স্বপ্ন দেখাতে ভালোবাসতেন। শুধু তাই নয়; সে সব স্বপ্ন বাস্তবায়নও করেছেন। যিনি ৬৭ বছর ধরে বেদখল হওয়া রাস্তা উদ্ধার করেছেন মাত্র দু’দিনে। যার ছোঁয়ায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন আধুনিক শহরের রূপ নিয়েছে।










